Posts

Image
  জলদস্যূ সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় প্রকাশকঃ আনন্দ পাবলিশার্স, কলিকাতা ভাস্কো দ্যা গামা, বার্তেমেলিউ দিয়াজ, সেবাস্টিয়ান গঞ্জালেস টিবাও এর মতো অভিযাত্রী, জলদস্যুরা ১৪ শতক ও ১৫ শতকের দিকে শুধুমাত্র ভাগ্যান্বেষণে পর্তুগালের লিসবন থেকে ভারতের দিকে ক্ষ্যাপাটে যাত্রা করেছিলো ভাবতেই বিস্ময় জাগে। এরা যে সবাই সাধু-সন্ত ছিলেন এমন না, অনেকেই দাগী আসামী। চার্চ এদেরকে খ্রিস্ট ধর্ম প্রচারে সম্মতি দিয়ে দু'দিক থেকেই বাঁচলো। অনেকে তো খ্রিস্ট ধর্ম প্রচারের বিষয়টা আড়াল করতে চান!? নিষ্ঠুর, বদমেজাজি ও সাহসী অভিযাত্রী ভাস্কো দ্যা গামা নতুন কোন উল্লেখযোগ্য জায়গা আবিষ্কার করেন নাই (ইউরোপীয়দের জন্য)। তিনি সমুদ্রপথে লিসবন থেকে কালিকট পর্যন্ত আসার সমুদ্রপথ আবিষ্কার করেন। যদিও এর আগে পর্তুগিজ বার্তেমেলিউ দিয়াজ কাছাকাছি আসলেও ভারতে উপনীত হতে পারেন নি। ভাস্কো এক্ষেত্রে দক্ষতার পরিচয় দেন। তিনি আরবীয় বনিকদের সাথে কূট কৌশল ও সাহসিকতার প্রমান দিয়ে একজন পথ প্রদর্শকের মাধ্যমে ভারতে উপনীত হন। তবে ভারতে অভিযানের সময় তিনি কয়েক জায়গায় থেমেছিলেন। যার মাঝে ছিলো আফ্রিকার উত্তর উপকূল। যা বর্তমানে মোজাম্বিকের অন্তর্গত। ভাস...
Image
মুহাম্মদ বিন তুঘলক উত্থান ও পতন মূলঃ আঘা মাহদি হুসাইন অনুবাদঃ আল মারুফ রাসেল প্রকাশকঃ ‍দিব্য প্রকাশ প্রকাশকালঃ 2021 খ্রিঃ   আগ্রা কলেজের ডক্টর আগা মাহদি হুসাইনে র "রাইজ অ্যান্ড ফল অফ মুহাম্মাদ বিন তুঘলক'' অনুবাদক আল মারুফ রাসেলের ভূমিকা সূত্রে মুহাম্মাদ বিন তুঘলকের প্রতি আঘা মাহাদি হূসাইনের সহানুভূতির কথা জানতে পারি। তারপরও তুঘলকের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগগুলোর খন্ডনে (যেমন- সাম্রাজ্যে উপর্যুপরি বিদ্রোহ-এক্ষেত্রে মুহাম্মাদ তুঘলককে কিছুটা দূর্ভাগা বলা যায়, তার সময়ে ২০ টার উপর বিদ্রোহ হয়েছিল, যেখানে মুসলিম আলেম, মাশায়েখ, সূফী, মালিকরাও অন্তর্ভুক্ত ছিলো, রাজধানী স্থানান্তর, খোরাসান আক্রমণ পরিকল্পনা, কারচিল অভিযান, প্রতীকি মুদ্রা ব্যবস্থা, পিতৃহত্যা, দোয়াব এলাকায় কর বৃদ্ধি, নাস্তিকতা, মৌলবাদ ইত্যাদি ) চরিত্র বিশ্লেষণে লেখক যে পরিমাণ গবেষণা ও পরিশ্রম করেছেন তা শ্রদ্ধা জাগায়।   সম সমায়িকদের লেখায় মুহাম্মাদ তুঘলকের যে চরিত্র তা যে তাদের ব্যক্তিগত স্বার্থ দ্বারা প্রভাবিত (যেমন- ইসামী, ইবনে বতুতা, বারনী) তার তূলনামূলক আলোচনা ও পাশাপাশি সম সাময়িক অন্য উৎস গুলো যাচাই করে ...

তরফের ইতিহাস

Image
তরফের ইতিহাস সৈয়দ আবদুল আগফর প্রথম প্রকাশ: ১২১৪ বঙ্গাব্দ উৎস সংস্করণ: ২০০৮ খ্রিঃ   “তরফের ইতিহাস” বইটা সিলেটের প্রাচীন রাজ্য তরফ নিয়ে লেখা। সৈয়দ আবদুল আগফর   রচিত বইটি প্রথম প্রকাশিত হয় ১২১৪ বঙ্গাব্দে । এখনো পর্যন্ত তরফ নিয়ে লেখা সবচেয়ে প্রাচীন গ্রন্থ এটি। নানা কারণে বইটির ঐতিহাসিক গুরুত্ব রয়েছে। সিলেটের প্রাচীন রাজ্য লাউড়, ইটা, জৈন্তা’র মতো তরফও একটি প্রাচীন ইতিহাস সমৃদ্ধ অঞ্চল। প্রায় ১৩৬ বছর পূর্বে প্রকাশিত এ গ্রন্থের মাধ্যমে তরফের মতো একটি ক্ষুদ্র রাজ্যের প্রাকৃতিক, কৃষি, বাণিজ্য, শিক্ষা, ধর্ম, আর্থ-সামাজিক অবস্থা সম্পর্কে জানা জানা যায়। তরফ সম্পর্কে তিনি যখন গ্রন্থটি রচনা করেন তখন পর্যন্ত বাংলা ভাষায় সিলেট সম্পর্কেই কোন ইতিহাস গ্রন্থ রচিত হয়নি। পরবর্তী কালে যারাই সিলেটির ইতিহাস নিয়ে বই লিখেছেন তারা প্রায় সকলেই “তরফের ইতিহাস” বই থেকে কিছু না কিছু সহায়তা পেয়েছেন।   এজন্য সিলেট এবং সিলেটের আঞ্চলিক ইতিহাস লেখার ক্ষেত্রে এ গ্রন্থের গুরুত্ব অপরিসীম।   সৈয়দ আবদুল আগফর সাহেব যে তার সময়ের চেয়ে অনেক এগিয়ে ছিলেন বইয়ের ‘উপক্রমণিকা’ পাঠ করলেই বোঝা যায়। ইতিহাস চর...

সিলেটের মরমী সাহিত্য

Image
  সিলেটের মরমী সাহিত্য সৈয়দ মোস্তফা কামাল প্রকাশকঃ মহাকবি সৈয়দ সুলতান সাহিত্য ও গবেষণা পরিষদ, হবিগঞ্জ প্রথম প্রকাশঃ ১৯৯৮ খ্রিঃ   ‘সিলেটের মরমী সাহিত্য’ বইয়ে লেখক সূফী ও মরমী সাহিত্যের যে দীর্ঘ ঐতিহ্য বাংলায় রয়েছে তার আলোচনায় সুফীজমের উৎপত্তি, ‍সূফী মতবাদের সাথে বাংলার লোককবি ও মরমী সাধকেদের সম্পর্কের বিষয়ে আলোচনা করেছেন। মরমী সাহিত্য, সূফী- সাধক ও মরমী কবিদের হৃদয় উৎসারিত অনুরাগের ফসল। সূফী সাহিত্যের মূল সূর এক ও অভিন্ন। স্রষ্টার সাথে সৃষ্টির যে বিচ্ছেদ, তার বেদনাই মূর্ত হয় সূফীদের সাহিত্যে। মানব মন চির বিরহী। মানব মনের যে এ বিরহ বেদনা তা ই সূফী সাহিত্যে মূর্ত হয়ে ওঠে। বাংলার সূফী সাহিত্য চর্চায় সিলেটের রয়েছে গুরুত্বপূর্ণ অবদান । মজলুম মঈনুদ্দীনের ফরিয়াদি হয়ে সিলেটে হযরত শাহজালাল ইয়ামনী (র) ও ৩৬০ সঙ্গীর আবির্ভাব সিলেটের ভাব জগতে সূদুর প্রসারী প্রভাব বিস্তার করে। যার ফলে সিলেটের মরমী সাহিত্যে সূফী ভাবধারা ও আধ্যাত্মবাদের সম্মিলন ঘটে। যার কারণে দেখা যায় দেখা যায় সিলেটের মরমী সাধক লোককবিদের গানে বার বার সূফী ভাবধারার প্রকাশ ঘটেছে। সূফীবাদের   উৎপত্তি খুজতে গেলে দে...